চিত্তরঞ্জন সাহা থেকে অমর একুশে বইমেলা !!!!

আবার এসে গেলো প্রাণের একুশের বইমেলা; যেই মেলায় অংশগ্রহন করার জন্য লেখক, পাঠক থেকে শুরুকরে বাংলার সকল জ্ঞানীগুণীজন পুরো একটা বছর অপেক্ষা করে থাকেন (যেহেতু বাংলাদেশে বছরে মাত্র একটিবার অনেক ব্যপকতাজুড়ে এই বইমেলা হয়ে থাকে)।এককথায় বলা যায় বছরে একটিবার সকল জ্ঞাণীর মষ্তিষ্ক এখানে যুক্ত হয়ে ব্যাপক পরিসরে অমর একুশে বইমেলা অনুষ্ঠিত হয় আর আমরা যারা জ্ঞান পিপাসু তারা সবাই গিয়ে তাদের জ্ঞানরস আহরন করার চেষ্টা করি।

প্রত্যেকবছর স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী গিয়ে এই জ্ঞানের মেলার উদ্বোধন করে থাকেন যার ব্যতীক্রম এ বছর ও ঘটেনি।কিন্তু প্রত্যেক বছর অনেক কলেবরে এই বইমেলা অনুষ্ঠিত হলেও জ্ঞানপিপাসু এবং জ্ঞানদানকারী লোকেরা কাছে এই বইমেলার ‍যিনি প্রতিষ্ঠাতা তাঁর খোঁজখবর রাখেনা বললেই চলে।রাখলে বছরে অন্তত একটিবার যেসব লেখকেরা, প্রকাশকরা এই বইমেলা থেকে হাজার কোটি টাকা ইনকাম করতেছেন তারা তাঁর কবরে গিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করত, তার কবরে গিয়ে ফুলের শ্রদ্ধা জানিয়ে আসত। এই জন্যই বোধহয় বাঙ্গালীরা অকৃতজ্ঞের জাত।

হ্যাঁ আমি চিত্তরঞ্জন সাহার কথাই বলছি যিনি ১৯৭২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বর্ধমান হাউজ চত্তরে একটুকরা চটের উপর মাত্র ৩২টি বই নিয়ে অনানুষ্ঠানিকভাবে বই মেলা আরম্ভ করেন। এই ৩২টি বই চিত্তরঞ্জন সাহা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীণ বাংলা সাহিত্য পরিষদ বর্তমানে মুক্তধারা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশী শরনার্থী লেখকদের লেখা।যুদ্ধবিদ্ধস্থ স্বাধীন বাংলাদেশে শুধুমাত্র উনার একক প্রচেষ্ঠায় ১৯৭২ থেকে ১৯৭৬ পর্যন্ত বইমেলা চলতে থাকে। কতটুকু জ্ঞানপ্রেমী হলে শুধুমাত্র একজন মানুষ এই কাজটি করতে পারে তা ভাবাই যায়না।

ধীরে ধীরে এইমেলায় জ্ঞানপিপাসু মানুষের ‍উদ্দীপনা বাড়তে থাকে এবং এর ব্যপকতা দেখে বাংলা একাডেমী ১৯৭৮ সালে শ্রদ্ধেয় চিত্তরঞ্জন সাহার অবদানকে জাতীয় স্বীকৃতি দেয়ায় প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে।১৯৭৯ সালে এখানে যুক্ত হয় পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি যার প্রতিষ্ঠাতাও শ্রদ্ধেয় চিত্তরঞ্জন সাহা নিজেই। ১৯৮৪ সালে এসে এই গ্রন্থমেলার জন্য বিধিবদ্ধ নীতিমালা প্রণীত হয় এবং নাম দেয়া হয় ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’’। সেইথেকে অনেক ব্যপকতার সাথে এই বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসতেছে।

ধীরে ধীরে এইমেলায় জ্ঞানপিপাসু মানুষের ‍উদ্দীপনা বাড়তে থাকে এবং এর ব্যপকতা দেখে বাংলা একাডেমী ১৯৭৮ সালে শ্রদ্ধেয় চিত্তরঞ্জন সাহার অবদানকে জাতীয় স্বীকৃতি দেয়ায় প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে।১৯৭৯ সালে এখানে যুক্ত হয় পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি যার প্রতিষ্ঠাতাও শ্রদ্ধেয় চিত্তরঞ্জন সাহা নিজেই। ১৯৮৪ সালে এসে এই গ্রন্থমেলার জন্য বিধিবদ্ধ নীতিমালা প্রণীত হয় এবং নাম দেয়া হয় ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’’। সেইথেকে অনেক ব্যপকতার সাথে এই বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসতেছে।

তথ্যসূত্র : এডোটিউব, উইকিপিডিয়া।

2 Comments

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *